অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলে আর্জেন্টিনাকে দারুণ এক জয় এনে দেওয়ার পর আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন লিওনেল মেসি। মাঠে তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে যেমন উচ্ছ্বসিত আর্জেন্টিনা সমর্থকরা, তেমনি আনন্দে মেতেছেন দেশের শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একের পর এক পোস্টে তারা প্রকাশ করেছেন নিজেদের ভালোবাসা ও উচ্ছ্বাস।
জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনা আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে একটি ছবি প্রকাশ করে দলের জয় উদযাপন করেন। ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘ইয়েস, আর্জেন্টিনা ভামোস।’ তার পোস্টে ফুটে ওঠে প্রিয় দলের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন।
অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী মেসির অসাধারণ পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে একটি পোস্ট শেয়ার করেন। তিনি ফুটবল ইতিহাসে মেসির অর্জনের কথা তুলে ধরে তাকে অভিনন্দন জানান।
ব্রাজিল সমর্থক হিসেবে পরিচিত অভিনেতা শরিফুল রাজও মেসির প্রশংসা করতে ভোলেননি। মাঠের একটি ছবি শেয়ার করে তিনি লেখেন, ১৮ গোল নিয়ে বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়া সত্যিই জাদুকরী এক অর্জন।
নির্মাতা আশফাক নিপুন মেসির গোল করার ধারাবাহিকতা নিয়ে নিজের স্বভাবসুলভ রসিক ভঙ্গিতে মন্তব্য করেন। তিনি লেখেন, একসময় পাঁচ গোল করলেই বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়ে এগিয়ে থাকা যেত, আর এখন মেসি প্রথম দুই ম্যাচেই পাঁচ গোল করে ফেলেছেন। বিষয়টিকে তিনি ফুটবলের ‘জমিদারী ব্যাপার-স্যাপার’ বলেও উল্লেখ করেন।
চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা আর্জেন্টিনার জার্সি পরে কেক কাটার ছবি প্রকাশ করে জানান, মেসির প্রতি ভালোবাসা থেকেই তিনি আর্জেন্টিনার সমর্থক হয়েছেন। তার পোস্টে ছিল প্রিয় দলের জয়ের আনন্দ।
অভিনেত্রী জাকিয়া বারী মম লিওনেল মেসির সঙ্গে তোলা একটি ছবি শেয়ার করে আর্জেন্টিনাকে শুভেচ্ছা জানান। অন্যদিকে অভিনেত্রী কেয়া পায়েল আর্জেন্টিনার জার্সি পরা নিজের ছবি প্রকাশ করে লেখেন, ‘মেসি, তুমি মনটা কেড়ে নিলা।’ একই সঙ্গে ভক্তদের কাছেও ম্যাচ নিয়ে তাদের অনুভূতি জানতে চান তিনি।
শুধু তারকারাই নন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমজুড়ে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যেও ছিল উৎসবের আমেজ। ম্যাচ শেষে মেসির প্রশংসায় ভরে যায় ফেসবুকের টাইমলাইন। অনেকেই তাকে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলের জয় আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপের পরবর্তী পর্বের পথে আরও এগিয়ে দিয়েছে। আর সেই জয়ের আনন্দ ছড়িয়ে পড়েছে দেশের শোবিজ অঙ্গনেও, যেখানে মেসির প্রতি ভালোবাসা আর মুগ্ধতার প্রকাশ ছিল চোখে পড়ার মতো।
Leave a Reply