1. tistanewsbd2017@gmail.com : Tista24 :
July 7, 2026, 12:59 pm

নতুন বলে মাঠে গড়াবে বিশ্বকাপের শেষ চার ম্যাচ

Reporter Name
  • Update Time : Tuesday, July 7, 2026
  • 15 Time View

ক্রীড়া ডেস্ক

বিশ্বকাপের সমাপ্তি ঘনিয়ে আসতেই টুর্নামেন্টের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শেষ চার ম্যাচের জন্য বিশেষ সংস্করণের অফিসিয়াল ম্যাচ বল উন্মোচন করেছে অ্যাডিডাস। ‘ট্রিওন্ডা ফাইনাল (TRIONDA FINAL)’ নামের এই বল ব্যবহার করা হবে দুটি সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ ও ফাইনালে।

গত বছরের অক্টোবরে উন্মোচিত বিশ্বকাপের মূল বল ‘ট্রিওন্ডা’র উন্নত সংস্করণ হিসেবে তৈরি করা হয়েছে নতুন এই বল। এর প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও মাঠের পারফরম্যান্স আগের মতোই রাখা হলেও শেষ পর্যায়ের ম্যাচগুলোর গুরুত্ব তুলে ধরতে নকশায় আনা হয়েছে বড় পরিবর্তন।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই প্রথম শুধু রঙের পরিবর্তন নয়, বরং শেষ চার ম্যাচের জন্য সম্পূর্ণ আলাদা ডিজাইনের বল তৈরি করেছে অ্যাডিডাস। ‘ট্রিওন্ডা ফাইনাল’-এর নকশায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বিশ্বকাপ জয়ের প্রতীকী আবহ। কালো রঙের ভিত্তির ওপর সোনালি অলংকরণ ব্যবহার করা হয়েছে, যা বিশ্বকাপ ট্রফির অনুপ্রেরণায় তৈরি করা হয়েছে। এতে বলটি পেয়েছে বিশেষ আকর্ষণ ও আলাদা মর্যাদা।

বিশেষ এই বলে স্থান পেয়েছে ২০২৬ বিশ্বকাপের ১৬টি স্বাগতিক শহরের পরিচয়। এর মধ্যে সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ ও ফাইনালের আয়োজক ডালাস, আটলান্টা, মিয়ামি ও নিউ জার্সিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি বোস্টন, গুয়াদালাহারা, হিউস্টন, কানসাস সিটি, লস অ্যাঞ্জেলেস, মেক্সিকো সিটি, মনতেরে, ফিলাডেলফিয়া, সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়া, সিয়াটল, টরন্টো ও ভ্যাঙ্কুভারের নামও ত্রিভুজাকৃতির গ্রাফিক উপাদানের মাধ্যমে যুক্ত করা হয়েছে।

নতুন বল উন্মোচনের সময় ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেন, বিশ্বকাপের শেষ চার ম্যাচে ‘ট্রিওন্ডা ফাইনাল’ ব্যবহার করা হবে। তিনি জানান, পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে ‘ট্রিওন্ডা’ অসংখ্য স্মরণীয় গোল ও মুহূর্তের সাক্ষী হয়েছে।

ইনফান্তিনোর ভাষ্য, এই বল শুধু একটি ম্যাচের সরঞ্জাম নয়; এটি তিন আয়োজক দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ঐক্য এবং ফুটবলের প্রতি তাদের ভালোবাসার প্রতীক। বিশ্বকাপের শেষ পর্যায়ের প্রতিটি পাস, শট, সেভ ও গোলের সঙ্গে এই বল এবং ১৬টি স্বাগতিক শহরের অবদান ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকবে।

প্রযুক্তিগত দিক থেকেও নতুনত্ব রয়েছে ‘ট্রিওন্ডা ফাইনাল’-এ। এতে যুক্ত করা হয়েছে কানেক্টেড বল প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে বলের গতিবিধি ও বিভিন্ন তথ্য রিয়েল-টাইমে সংগ্রহ করা সম্ভব হবে।

এই প্রযুক্তি ম্যাচ পরিচালনার ক্ষেত্রে রেফারিদের আরও দ্রুত ও নির্ভুল সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে। পাশাপাশি খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ এবং ম্যাচের বিভিন্ন তথ্য পর্যালোচনাতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শিরোপার শেষ লড়াইয়ে তাই শুধু মাঠের উত্তেজনা নয়, নতুন প্রযুক্তি ও বিশেষ নকশার ‘ট্রিওন্ডা ফাইনাল’ বলও বিশ্বকাপের ইতিহাসে নতুন অধ্যায় যোগ করতে যাচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 Jaldhaka IT Park
Theme Customized By LiveTV