নিজস্ব প্রতিবেদক, জলঢাকা |
৪ জুলাই ২০২৬ নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় বাস ও মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সুমি রানি রায় (৩৫) নামে এক নারীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন মোটরসাইকেল চালক স্বপন রায় (৩০)। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (৪ জুলাই) সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে জলঢাকা উপজেলার শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের চৌধুরীরহাট বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সুমি রানি রায় জলঢাকা উপজেলার পশ্চিম শিমুলবাড়ী শাল্টিতলা এলাকার বাসিন্দা এবং শ্যামল চন্দ্র রায়ের স্ত্রী। আহত স্বপন রায় ডোমার উপজেলার বোরাগাড়ী এলাকার বিপিন রায়ের ছেলে। তিনি সম্পর্কে নিহতের ভাগ্নি জামাই।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে সুমি রানি রায় তার ভাগ্নি জামাই স্বপন রায়ের মোটরসাইকেলে করে নীলফামারী সদর উপজেলার উত্তরা ইপিজেডে কর্মস্থলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে রওনা দেন। পথে চৌধুরীরহাট বাজার এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে ঢাকা থেকে মীরগঞ্জগামী ‘মায়ের দোয়া’ পরিবহনের একটি নৈশ কোচ দ্রুতগতিতে এসে পড়ে।
এ সময় সংঘর্ষ এড়াতে মোটরসাইকেল চালক ব্রেক করলে সড়কে ছড়িয়ে থাকা বালুর কারণে মোটরসাইকেলের চাকা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে স্লিপ করে যায়। এতে চালক স্বপন রায় রাস্তার বাম পাশে পড়ে গেলেও সুমি রানি রায় ছিটকে রাস্তার ডান পাশে পড়ে যান। ঠিক সেই মুহূর্তে দ্রুতগতির বাসটির পেছনের চাকার নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন দ্রুত আহত স্বপন রায়কে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। স্থানীয়রা জানান, সড়কে বালু পড়ে থাকা এবং অতিরিক্ত গতিই দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হতে পারে। দুর্ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।
Leave a Reply