ক্রীড়া ডেস্ক
তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশকে জয়ের জন্য ১৭১ রানের লক্ষ্য দিয়েছে জিম্বাবুয়ে। বুধবার (১৫ জুলাই) বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭০ রান সংগ্রহ করে স্বাগতিকরা।
টস জিতে জিম্বাবুয়েকে ব্যাটিংয়ে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাটিং করে স্বাগতিক ব্যাটাররা। পাওয়ার প্লের সুবিধা কাজে লাগিয়ে দ্রুত রান তুলতে থাকে তারা। এক পর্যায়ে ১ উইকেট হারিয়ে ৭৫ রান তুলে বড় সংগ্রহের ইঙ্গিত দেয় জিম্বাবুয়ে।
তবে মাঝের ওভারগুলোতে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে চাপে পড়ে স্বাগতিকরা। ৪১ রানের ব্যবধানে তিনটি উইকেট হারিয়ে কিছুটা বিপাকে পড়ে জিম্বাবুয়ের ইনিংস। এ সময় গুরুত্বপূর্ণ দুটি আঘাত হেনে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরান পেসার নাহিদ রানা ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।
শেষ দিকে কিছুটা গতি বাড়িয়ে জিম্বাবুয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৭০ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে সিরিজের প্রথম ম্যাচ জিততে বাংলাদেশকে ১২০ বলে করতে হবে ১৭১ রান।
তাওহীদ হৃদয়ের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল এখন ব্যাট হাতে এই লক্ষ্য তাড়ায় মাঠে নেমেছে। ব্যাটিংয়ে দলের ওপেনার ও মিডল অর্ডার ব্যাটারদের ওপর থাকবে বড় দায়িত্ব। জিম্বাবুয়ের ঘরের মাঠে তাদের বোলিং আক্রমণ সামলানোই হবে টাইগারদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ।
এর আগে জিম্বাবুয়ে সফরটা ভালো কাটেনি বাংলাদেশের। একমাত্র টেস্টে ইনিংস ও ৮৫ রানের বড় ব্যবধানে হার দিয়ে সফর শুরু করে টাইগাররা। এরপর তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে হেরে সিরিজ হাতছাড়া করে বাংলাদেশ। তবে শেষ ওয়ানডেতে ৭ উইকেটের দাপুটে জয়ে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়ায় তারা।
টেস্ট ও ওয়ানডেতে ব্যর্থতার পর টি-টোয়েন্টি সিরিজে ঘুরে দাঁড়ানোই এখন বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য। তরুণ ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের সমন্বয়ে গড়া দলটি শেষ পর্যন্ত জয় দিয়ে সফর শেষ করতে চায়।
অন্যদিকে, ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়েও আত্মবিশ্বাসী। ওয়ানডে সিরিজ জয়ের পর টি-টোয়েন্টিতেও ভালো শুরু করতে চায় তারা। ফলে দুই দলের জন্যই সিরিজের প্রথম ম্যাচটি হয়ে উঠেছে গুরুত্বপূর্ণ।
Leave a Reply