1. tistanewsbd2017@gmail.com : Tista24 :
July 20, 2026, 7:17 am

যে কারণে বিশ্বকাপ ফাইনালে লাল কার্ড দেখলেন এনজো ফার্নান্দেজ

Reporter Name
  • Update Time : Monday, July 20, 2026
  • 7 Time View

ক্রীড়া ডেস্ক

বিশ্বকাপ ফাইনালের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্তগুলোর একটির মুখোমুখি হতে হলো আর্জেন্টিনাকে। স্পেনের বিপক্ষে শিরোপা নির্ধারণী লড়াইয়ে দ্বিতীয়ার্ধে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ। তার বহিষ্কারের পর শেষ পর্যন্ত ১০ জন নিয়েই ম্যাচ শেষ করতে হয় বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের।

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই ছিল তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা। মাঝমাঠের দখল নিয়ে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে একাধিকবার উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্ত তৈরি হয়। সেই উত্তেজনার মধ্যেই দুটি হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় চেলসির এই তারকা মিডফিল্ডারকে।

ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ডটি পান রেফারির একটি সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ করার কারণে। এরপর দ্বিতীয়ার্ধে স্পেনের তরুণ ডিফেন্ডার পাউ কুবারসির দিকে দেওয়া একটি ব্যাকপাস আটকাতে গিয়ে দেরিতে ট্যাকল করেন এনজো। বলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার আগেই প্রতিপক্ষের পায়ে আঘাত করায় স্লোভেনিয়ার রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখান। দুটি হলুদ মিলিয়ে লাল কার্ড দেখে সঙ্গে সঙ্গেই মাঠ ছাড়তে হয় আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডারকে।

এনজোর বহিষ্কারের পর ম্যাচের বাকি সময়ে সংখ্যাগত সুবিধা পুরোপুরি কাজে লাগায় স্পেন। অতিরিক্ত জায়গা কাজে লাগিয়ে বলের দখল ধরে রাখে তারা এবং আক্রমণের চাপ আরও বাড়িয়ে দেয়। ১০ জনের আর্জেন্টিনার পক্ষে ম্যাচে ফেরার সুযোগ ক্রমেই কঠিন হয়ে ওঠে।

এই লাল কার্ডের মাধ্যমে বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে বহিষ্কৃত হওয়া ষষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে নাম লেখান এনজো ফার্নান্দেজ। এর আগে ১৯৯০ সালের ফাইনালে আর্জেন্টিনার পেদ্রো মনসোন বিশ্বকাপ ফাইনালে প্রথম লাল কার্ড দেখা খেলোয়াড় হন। একই ম্যাচে তার সতীর্থ গুস্তাভো দেসোত্তিকেও বহিষ্কার করা হয়েছিল।

পরবর্তীতে ১৯৯৮ সালের ফাইনালে ফ্রান্সের মার্সেল দেসাই, ২০০৬ সালের বহুল আলোচিত ফাইনালে ইতালির বিপক্ষে ফ্রান্সের অধিনায়ক জিনেদিন জিদান এবং ২০১০ সালের ফাইনালে নেদারল্যান্ডসের জন হাইতিঙ্গাও লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। সেই তালিকায় সর্বশেষ সংযোজন হলেন এনজো।

বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে ফাইনালে লাল কার্ডের ঘটনা খুবই বিরল। কারণ এমন ম্যাচে খেলোয়াড়রা সাধারণত সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখেন। তবে ম্যাচের চাপ, আবেগ এবং শিরোপার লড়াইয়ের উত্তেজনা অনেক সময় কঠিন সিদ্ধান্তের জন্ম দেয়।

এনজোর বহিষ্কার নিঃসন্দেহে আর্জেন্টিনার জন্য বড় ধাক্কা হয়ে আসে। মাঝমাঠে তার অনুপস্থিতিতে দলের ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং শেষ পর্যন্ত স্পেনের বিপক্ষে শিরোপা ধরে রাখার লড়াইও কঠিন হয়ে পড়ে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 Jaldhaka IT Park
Theme Customized By LiveTV