ক্রীড়া ডেস্ক
৪৮ দলের দীর্ঘ লড়াই এখন এসে ঠেকেছে মাত্র দুই দলে। অসংখ্য ম্যাচ, নাটকীয় মুহূর্ত ও চমকের পর বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ের শেষ যুদ্ধে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে দুই ফুটবল শক্তি—আর্জেন্টিনা ও স্পেন।
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৯ জুলাই, রবিবার। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক-নিউজার্সি অঞ্চলের বিখ্যাত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বসবে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় ম্যাচের আসর। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ২০ জুলাই ভোরে।
এবারের বিশ্বকাপটি ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নিয়েছে একাধিক কারণে। প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল নিয়ে আয়োজন করা হয়েছে ফিফা বিশ্বকাপ। একই সঙ্গে তিনটি দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো—মিলে আয়োজন করেছে ফুটবলের এই মহাযজ্ঞ।
১০৪ ম্যাচের এই বিশাল টুর্নামেন্টের শেষ ম্যাচেই নির্ধারিত হবে নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। ফাইনালে একদিকে থাকবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, অন্যদিকে থাকবে ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী দল স্পেন।
আর্জেন্টিনা ফাইনালে উঠেছে দুর্দান্ত ধারাবাহিকতা ধরে রেখে। অভিজ্ঞ অধিনায়ক লিওনেল মেসির নেতৃত্বে দলটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে। অন্যদিকে স্পেন তরুণ প্রতিভা ও আক্রমণাত্মক ফুটবলের মাধ্যমে পুরো টুর্নামেন্টে নজর কেড়েছে।
ফাইনালের ভেন্যু মেটলাইফ স্টেডিয়ামও কম আলোচিত নয়। নিউ জার্সিতে অবস্থিত এই বিশাল স্টেডিয়ামের দর্শক ধারণক্ষমতা ৮২ হাজারের বেশি। এর আগে এখানে অসংখ্য বড় ক্রীড়া ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০১৬ সালের কোপা আমেরিকা সেন্টেনারিওর ফাইনালও হয়েছিল এই মাঠে, যেখানে আর্জেন্টিনা টাইব্রেকারে চিলির কাছে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করেছিল।
এবার সেই একই মাঠে আবারও বড় পরীক্ষার সামনে আর্জেন্টিনা। মেসির দল কি দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ ট্রফি ধরে রাখবে, নাকি স্পেন নতুন ইতিহাস লিখবে—সেই উত্তর মিলবে ফাইনালের শেষ বাঁশিতে।
বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর চোখ এখন মেটলাইফ স্টেডিয়ামের দিকে। কারণ এটি শুধু একটি ম্যাচ নয়, এটি দুই ভিন্ন প্রজন্ম ও দুই ভিন্ন ফুটবল দর্শনের মহারণ।
Leave a Reply