নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলার কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত মানের বীজ। সেই পরিবর্তনের অগ্রযাত্রায় কৃষকের পাশে থেকে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে রাসেল সিড কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড। কৃষিকে আরও লাভজনক ও টেকসই করতে প্রতিষ্ঠানটি মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে কৃষকদের নিয়ে।
সম্প্রতি জলঢাকা উপজেলার শোলমারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পাড়ায় আয়োজন করা হয় রাসেল সিড কোম্পানির এক বিশেষ মাঠ দিবস। স্থানীয় জামান চেয়ারম্যানের বাড়ির উঠানজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশে জড়ো হন শত শত কৃষক। চারদিকে সবুজে ঘেরা ভুট্টার ক্ষেত আর কৃষকদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি যেন পুরো আয়োজনকে প্রাণবন্ত করে তোলে।
অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল রাসেল সিডের জনপ্রিয় হাইব্রিড ভুট্টার কয়েকটি উন্নত জাত— সম্রাট, বিপ্লব-৫৫৫, বারি-৩৩ এবং তাজমহল। মাঠে প্রদর্শিত ভুট্টার বড় আকার, শক্ত গঠন ও বাম্পার ফলন দেখে মুগ্ধ হন স্থানীয় কৃষকরা। অনেকে মাঠেই ফলনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন এবং এসব জাত চাষে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে রাসেল সিড কোম্পানির কর্মকর্তারা কৃষকদের আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি, উন্নত বীজ নির্বাচন, সঠিক সার প্রয়োগ এবং অধিক ফলনের কার্যকর কৌশল সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেন। তারা জানান, প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগেও এসব উন্নত জাত ভালো ফলন দিতে সক্ষম। ফলে কৃষকরা যেমন লাভবান হচ্ছেন, তেমনি কৃষি উৎপাদনেও আসছে ইতিবাচক পরিবর্তন।
স্থানীয় এক সফল কৃষক বলেন, “আমি এবার রাসেল সিডের সম্রাট ও বিপ্লব-৫৫৫ জাতের ভুট্টা চাষ করছি। গাছ অনেক মজবুত হয়েছে, মোচাও বড় হয়েছে। ঝড়-বৃষ্টিতেও ক্ষতি কম হয়েছে। আশা করছি এবার গতবারের চেয়ে লাভ অনেক বেশি হবে।”
কৃষকদের মতে, শুধু উন্নত বীজ সরবরাহ নয়, মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত পরামর্শ ও সার্বক্ষণিক সহযোগিতার কারণে রাসেল সিড কোম্পানি আজ কৃষকের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
সবুজ ভুট্টার মাঠে আজ শুধু ফলনের গল্প নয়, ফুটে উঠেছে কৃষকের নতুন স্বপ্ন। আধুনিক কৃষির এই অগ্রযাত্রা ভবিষ্যতে জলঢাকার কৃষি অর্থনীতিকে আরও সমৃদ্ধ করবে— এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
Leave a Reply