1. tistanewsbd2017@gmail.com : Tista24 :
June 22, 2026, 6:11 pm

৭ বছর পর ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

Reporter Name
  • Update Time : Monday, June 22, 2026
  • 5 Time View

ক্রীড়া ডেস্ক

দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর পর আবারও ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) প্রাথমিক সূচি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের অ্যাশেজ সিরিজ শুরুর আগে নিজেদের মাঠে বাংলাদেশের বিপক্ষে একটি একমাত্র টেস্ট আয়োজনের পরিকল্পনা করছে ইংল্যান্ড।

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরের মে মাসের শেষ দিকে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচটি। যদিও এটি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (ডব্লিউটিসি) অন্তর্ভুক্ত নয়, তবুও দুই দলের জন্যই ম্যাচটির গুরুত্ব কম নয়। বিশেষ করে বাংলাদেশের জন্য এটি হবে ইংলিশ কন্ডিশনে দীর্ঘদিন পর লাল বলের ক্রিকেটে নিজেদের সামর্থ্য যাচাইয়ের বড় মঞ্চ।

বাংলাদেশ সর্বশেষ ২০১০ সালে ইংল্যান্ড সফরে গিয়ে টেস্ট সিরিজ খেলেছিল। এরপর আর কোনো টেস্ট ম্যাচ খেলতে পারেনি দেশটির মাটিতে। ফলে প্রায় দেড় দশকেরও বেশি সময় পর ইংল্যান্ডের বৈরী কন্ডিশনে সাদা পোশাকের লড়াইয়ে নামবে টাইগাররা।

ম্যাচটির ভেন্যু এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ভেন্যু নির্ধারণ অনেকটাই নির্ভর করছে ২০২৭ সালের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের আয়োজনস্থলের ওপর। যদি ফাইনাল লর্ডসে অনুষ্ঠিত না হয়, তাহলে বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড টেস্টটি ঐতিহ্যবাহী লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডে আয়োজনের সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে ডব্লিউটিসি ফাইনাল লর্ডসে অনুষ্ঠিত হলে বাংলাদেশের ম্যাচটি সরিয়ে লন্ডনের আরেক ঐতিহাসিক ভেন্যু দ্য ওভালে নেওয়া হতে পারে।

সম্প্রতি লর্ডসের উইকেট নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে একটি টেস্ট ম্যাচ খুব অল্প সময়ের মধ্যে শেষ হয়ে যাওয়ার পর পিচের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। অনেকের মতে, উইকেটটি বোলারদের অতিরিক্ত সহায়তা করেছে। এমন পরিস্থিতিতে ভবিষ্যৎ ডব্লিউটিসি ফাইনালের ভেন্যু পরিবর্তনের বিষয়েও ভাবনা-চিন্তা চলছে।

ইংল্যান্ডের ২০২৭ সালের ব্যস্ত আন্তর্জাতিক সূচিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে এই টেস্ট ছাড়াও রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বিশেষ আয়োজনের একটি ম্যাচ। এরপরই শুরু হবে বহুল প্রতীক্ষিত অ্যাশেজ সিরিজ। ফলে বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচটিকে অ্যাশেজ প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখছে ইংল্যান্ড।

অন্যদিকে বাংলাদেশের জন্য এই সফর হতে পারে ভবিষ্যৎ টেস্ট পরিকল্পনার একটি বড় ধাপ। ইংল্যান্ডের সুইং ও সিম-সহায়ক পরিবেশে খেলার অভিজ্ঞতা দেশের তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য মূল্যবান সম্পদ হয়ে উঠতে পারে। একই সঙ্গে বিদেশের মাটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট খেলার সুযোগও তৈরি হবে।

ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, একমাত্র টেস্ট হলেও ম্যাচটি দুই দলের জন্যই তাৎপর্যপূর্ণ। ইংল্যান্ড অ্যাশেজের আগে নিজেদের প্রস্তুতি ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবে, আর বাংলাদেশ পাবে বিশ্বের অন্যতম কঠিন ক্রিকেট পরিবেশে নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণের মঞ্চ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 Jaldhaka IT Park
Theme Customized By LiveTV