রামিসা হত্যা মামলায় ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন চাইলেন আইনমন্ত্রী
Reporter Name
Update Time :
Thursday, May 21, 2026
13 Time View
তিস্তা টিভি ডেস্ক
রাজধানীর পল্লবী এলাকায় আট বছর বয়সি শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার মর্মান্তিক ঘটনায় সারাদেশে শোক ও তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনাটিকে মানবতার বিরুদ্ধে জঘন্য অপরাধ উল্লেখ করে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে তিনি জানান, মামলাটিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে, যাতে বিচারিক প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করা যায়।
ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবী সেকশন-১১ এলাকার একটি আবাসিক ভবন থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে শিশুটির বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলায় পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা, তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার এবং অজ্ঞাত আরও একজনকে আসামি করা হয়। ঘটনার পরপরই স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয় এবং পরে অভিযান চালিয়ে সোহেল রানাকেও গ্রেফতার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বর্তমানে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং পলাতক একজন আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রধান আসামি সোহেল রানা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তাকে আদালতে হাজির করার পর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পল্লবী থানার উপপরিদর্শক ওহিদুজ্জামানকে। তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন, আলামত সংগ্রহ, সাক্ষ্য গ্রহণ এবং প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে তদন্ত এগিয়ে নিচ্ছেন।
সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে নিজ গ্রামের বাড়িতে শিশুটিকে দাফন করা হয়।
এদিকে এ নির্মম ঘটনার পর স্থানীয় জনগণ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তারা শিশু সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা যায়।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ধরনের জঘন্য অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে মামলাটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির প্রস্তুতি চলছে, যাতে ন্যায়বিচার দ্রুত নিশ্
Leave a Reply