ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত দুজনেরই গোলসংখ্যা সমান—৮টি করে। তবুও গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে লিওনেল মেসির চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন ফ্রান্সের তারকা ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পে। অনেকের মনেই প্রশ্ন, গোল সমান হলে একজন কীভাবে অন্যজনের চেয়ে এগিয়ে থাকেন?
এর উত্তর রয়েছে ফিফার নির্ধারিত গোল্ডেন বুট নীতিমালায়। এই পুরস্কার শুধু সর্বোচ্চ গোলদাতাকেই দেওয়া হয় না; সমান গোল হলে কয়েকটি অতিরিক্ত মানদণ্ড বা টাইব্রেকার প্রয়োগ করা হয়।
প্রথমেই দেখা হয়, সমান গোল করা খেলোয়াড়দের মধ্যে কে বেশি অ্যাসিস্ট করেছেন। অর্থাৎ নিজের গোলের পাশাপাশি সতীর্থকে দিয়ে কতটি গোল করিয়েছেন, সেটিও বিবেচনায় নেওয়া হয়। যে খেলোয়াড়ের অ্যাসিস্ট বেশি থাকে, তিনিই এগিয়ে থাকেন।
যদি গোল ও অ্যাসিস্ট—দুই ক্ষেত্রেই সমতা থাকে, তখন বিবেচনায় আসে মাঠে খেলার সময়। অর্থাৎ কম মিনিট খেলে একই সংখ্যক গোল করা ফুটবলারকে এগিয়ে রাখা হয়।
বর্তমান পরিস্থিতিতে এই নিয়মেই মেসিকে পেছনে ফেলেছেন এমবাপ্পে। ফরাসি এই ফরোয়ার্ড এখন পর্যন্ত ৮টি গোল করার পাশাপাশি ৩টি অ্যাসিস্টও করেছেন। ফলে মোট ১১টি গোলে তার সরাসরি অবদান রয়েছে।
অন্যদিকে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসির গোলও ৮টি, তবে তার অ্যাসিস্টের সংখ্যা ২টি। অর্থাৎ আর্জেন্টিনার ১০টি গোলে সরাসরি অবদান রেখেছেন তিনি। অ্যাসিস্টে এগিয়ে থাকায় আপাতত গোল্ডেন বুটের তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছেন এমবাপ্পে।
তবে লড়াই এখনও শেষ হয়নি। বিশ্বকাপের বাকি ম্যাচগুলোতে গোল কিংবা অ্যাসিস্টের হিসাব বদলে যেতে পারে। তাই গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এখনও শক্ত অবস্থানে রয়েছেন মেসি ও এমবাপ্পে—দুজনই।
এদিকে এই দুই তারকার পাশাপাশি সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় আলোচনায় রয়েছেন ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহাম, এবং নরওয়ের আর্লিং হালান্ডও। শেষ পর্যন্ত কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার মর্যাদাপূর্ণ গোল্ডেন বুট, সেটিই এখন ফুটবলপ্রেমীদের অন্যতম বড় আকর্ষণ।
Leave a Reply