আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, তারা ইসরায়েলের একটি বিমান ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। সংগঠনটির প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে “প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ” হিসেবে এই হামলা পরিচালিত হয়েছে।
হিজবুল্লাহর বক্তব্য অনুযায়ী, হামলায় রকেট ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে এবং লক্ষ্যবস্তু ছিল একটি সামরিক এয়ারবেস, যেখান থেকে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী অভিযান পরিচালনা করে। তবে হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বা কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না—সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেয়নি সংগঠনটি।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে, উত্তরাঞ্চলে সতর্কতা সাইরেন বেজে ওঠে এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়। কয়েকটি প্রক্ষেপণ প্রতিহত করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে নির্দিষ্ট কোনো বিমান ঘাঁটিতে সরাসরি আঘাতের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইসরায়েল-লেবানন সীমান্তে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। গাজা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সীমান্ত এলাকায় গোলাগুলি ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা একাধিকবার ঘটেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের হামলা ও পাল্টা হামলা বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
আন্তর্জাতিক মহল উভয় পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। জাতিসংঘের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক পর্যবেক্ষকরাও পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।
বর্তমান পরিস্থিতিতে উত্তেজনা আরও ছড়িয়ে পড়বে, নাকি কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আসবে—তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে সীমান্তবর্তী অঞ্চলে নিরাপত্তা সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।
Leave a Reply