তিস্তা ডেস্ক রিপোর্ট:
যুক্তরাষ্ট্র সরকার স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছে যে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান বা হামলার কার্যক্রমে গতি কমানোর কোনো পরিকল্পনা নেই এবং বর্তমান “মিশন” পূর্ণ করা পর্যন্ত এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। যুক্তরাষ্ট্রের President Donald Trump সামাজিক মাধ্যমেও জানিয়েছেন, তারা ইরানে চলমান আক্রমণকে “ধর্মসিদ্ধ লক্ষ্য” হিসেবে চালিয়ে যাবে যতক্ষণ পর্যন্ত সব উদ্দেশ্য অর্জিত হয়নি। এতে তিনি আরও বলেন যে এই অভিযান ইরানের দীর্ঘ‑মেয়াদি ক্ষেপণাস্ত্র ও সম্ভাব্য পারমাণবিক হুমকি মোকাবিলায় প্রনয়ন করা হয়েছে।
পেন্টাগন ও সরকারি সূত্রে জানা গেছে যে, কংগ্রেসের সাথে একটি গোপন ব্রিফিংয়ের সময় ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন যে তাদের কাছে এমন কোনো তথ্য নেই যে ইরান প্রথমে যুক্তরাষ্ট্রকে আঘাত করতে যাচ্ছিল, তবুও হামলার গতি কমানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। এ ব্রিফিংয়ে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে ইরানে গঠিত “Epic Fury” নামক সামরিক পরিকল্পনা চলমান এবং তারা এর তীব্রতা কমানোর বদলে পূর্ণ শক্তিতে অভিযান চালাচ্ছেন।
এই অবস্থানে অনেক পশ্চিমা দেশ ও মিত্রদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও ফ্রান্সের মতো দেশগুলো এ ইরান‑ইসরায়েল‑যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের উত্তেজনায় সর্তকতা প্রকাশ করেছেন এবং যুদ্ধের পরিণতি নিয়ে কূটনৈতিক আলোচনা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। একই সময়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ইরান‑আমেরিকা সংঘাতের বিষয়ে উদ্বেগ ও শান্তি আহ্বানও এসেছে।
এ হামলায় ইতোমধ্যেই ইরানের উচ্চ পদস্থ অনেক ব্যক্তি নিহত এবং শোকার্ত জনতা ও আন্তর্জাতিক যুক্তিসহ বিভিন্ন দেশে প্রতিবাদ শুরু হয়েছে। ইরান ‘হুমকি ছাড়াই পাল্টা আক্রমণ’ করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই উল্লেখ করেছে, যা উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে।
এভাবে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আক্রমণের গতি কমানোর কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই সামরিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে এবং মনে করছে এই অবস্থায় তাদের লক্ষ্য অর্জনে কঠোর অবস্থান নেওয়াই উপযুক্ত।
Leave a Reply