ডেস্ক রিপোর্ট:
২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হয়, যার লক্ষ্য ছিল ইরানের উপর সামরিক ও কৌশলগত আক্রমণ চালানো। এ অভিযানে কয়েকশোটি বিমান এবং ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে আক্রমণ করা হয়। এ সময় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই হতাহত হন বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম নিশ্চিত করে।
ট্রাম্প এই অভিযানকে “Epic Fury” নামে উল্লেখ করেন এবং ঘোষণা দেন যে ভারী ও বর্ণান্বিত বোমাবর্ষণ সপ্তাহব্যাপী বা প্রয়োজন পর্যন্ত চালানো হবে। তিনি ইরানকে বার্তা দেন, “যদি তারা বড় ধরনের বিরোধিতা করে, তবে এমন শক্তি দিয়ে মোকাবিলা করা হবে যা আগে কখনো দেখা নেই।”
এই হামলার পেছনে আন্তর্জাতিক চাপ ছিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী। বিশেষ করে ইসরায়েল ও সৌদি আরবের দীর্ঘ সময়ের লবিং ও কূটনৈতিক যোগাযোগের ফলে আমেরিকার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যার লক্ষ্য ইরানের নেতৃত্ব বদলানো ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করা বলে কিছু আন্তর্জাতিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আক্রমণের শুরুতে জানানো হয় যে যুক্তরাষ্ট্র ১,০০০-এর বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে, যার মধ্যে ছিল নৌবাহিনী জাহাজ, মিসাইল স্থাপনা, যোগাযোগ কেন্দ্র ও বিপ্লবী গার্ড কর্পসের বিভিন্ন কমান্ড সেন্টার।
মধ্যপ্রাচ্যে সহায় সমর্থন ও চাপ বৃদ্ধি পাওয়ার পর, ইরানও পাল্টা হামলা চালায় এবং এক পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রের তিন সেনাকর্মী নিহত ও আরও কয়েকজন গুরুতর আহত হন, যা এই সংঘর্ষে প্রথম আমেরিকান হতাহতের খবর ছিল।
যুক্তরাষ্ট্রে প্রচণ্ড রাজনৈতিক ও জনমত বিভাজন দেখা দেয়। কংগ্রেসের অনেকেই এই আগ্রাসী পদক্ষেপকে অবৈধ ও অসাংবিধানিক বলে সমালোচনা করেন, বলছেন যে এমন বড় যুদ্ধের জন্য প্রয়োজন কংগ্রেসের অনুমোদন।
এ বিশাল সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা, আন্তর্জাতিক আইন ও তেলের বাজারের উপর শক্তিশালী প্রভাব ফেলেছে, এবং এর ফলাফল ও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব এখনো স্পষ্ট নয়।
Leave a Reply