ডেস্ক রিনপোর্ট:
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (স্থানীয় সময়) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে পরিচালিত বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এই অভিযান “Operation Epic Fury” নামে পরিচিত এবং এর মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বকে ক্ষতিগ্রস্ত করা।
-
তারিখ ও সময়: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, সকাল-দুপুর (স্থানীয় সময়) মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলা শুরু হয়।
-
উদ্দেশ্য: ইরানের সামরিক স্থাপনা, পরমাণু সুবিধা ও উচ্চপদস্থ নেতাদের নিশানা করা।
-
পরিণতি: হামলায় ইরানের শীর্ষ নেতারা নিহত হয়েছেন বলে মার্কিন ও ইসরায়েলি দায়িত্বরেনা দাবি করেছেন; তেহরানের নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য আলি শামখানি নিহত বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমও জানিয়েছে।
-
আলি শামখানি: ইরানের নিরাপত্তা পরিষদের সিনিয়র সচিব ও সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ খামেনেইয়ের ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে পরিচিত। মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় তিনি নিহত বলেছেন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উৎস।
-
আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা, দীর্ঘ সময় ধরে দেশের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন। রাষ্ট্র ও কিছু সংবাদমাধ্যম তাকে হামলায় নিহত ঘোষণায় বিভক্ত তথ্য থাকার পরেও মার্কিন ও ইসরায়েলি কর্মকর্তারা তাঁর মৃত্যুর ব্যাপারে দাবি করেছেন।
-
অন্যান্য শীর্ষ নেতারা: ইরানের বিপ্লবী গার্ড ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা নিহত বা গুরুতর আহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন রিপোর্টে উল্লেখ আছে।
-
ইরান তথ্যের ভিত্তিতে এখন পর্যন্ত নিজ দেশের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর বিষয়টি সম্পূর্ণ নিশ্চিত করেনি; তবে হামলার পরই রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করে।
-
এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে এবং আন্তর্জাতিক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেক দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা পরিস্থিতি নিয়েই গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে মার্কিন ও ইসরাইল পরিচালিত হামলায় আলি শামখানি ও অন্যান্য শীর্ষ ইরানি নেতারা নিহত হয়েছেন, এবং এই ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল ইরানের নেতৃত্ব ও ক্ষমতা কাঠামো। এই ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তা সঙ্কটজাগতিক পরিস্থিতির দিকে ঝুঁকছে।









Leave a Reply