নিজস্ব প্রতিনিধি,
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ও ব্যাপক প্রাণহানির প্রেক্ষাপটে দেশটির ওপর বড় ধরনের সামরিক অভিযানের হুমকি এখনো জারি রেখেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। হোয়াইট হাউস জানিয়ে দিয়েছে, তেহরানকে চাপে রাখতে ওয়াশিংটনের হাতে থাকা বিকল্পগুলোর মধ্যে সরাসরি বিমান হামলাই সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেন, কূটনীতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম পছন্দ হলেও কমান্ডার-ইন-চিফ হিসেবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রয়োজনে সামরিক শক্তি ব্যবহারে কোনো দ্বিধা করবেন না। সম্ভাব্য এই হামলার বিষয়টি এখন ট্রাম্প প্রশাসনের কৌশলগত আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।
গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে ইরানে শুরু হওয়া আন্দোলনে নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নে কয়েক শ মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানি কর্তৃপক্ষ একে ‘দাঙ্গা’ বললেও বিক্ষোভকারীদের দাবি—নিহতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি এবং এর মধ্যে অসংখ্য সাধারণ নাগরিক রয়েছেন। ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় প্রকৃত চিত্র যাচাই করা কঠিন।
গত বছর ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন হামলার রেশ কাটতে না কাটতেই ট্রাম্প আবারও কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছেন। যদিও প্রশাসনের একাংশ আলোচনার পক্ষে, তেহরান ও ওয়াশিংটনের এই স্নায়ুযুদ্ধ শেষ পর্যন্ত আকাশপথে হামলায় গড়ায়, নাকি আলোচনার টেবিলে—সেটিই এখন বিশ্ব রাজনীতির বড় প্রশ্ন।
Leave a Reply