আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
২০২৬ সালের ০২ মার্চ তারিখে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) দাবি করেছে যে তারা ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু-এর অফিসকে লক্ষ্য করে Kheibar ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়েছে, যা একটি “লক্ষ্যভিত্তিক ও আচমকা” হামলা ছিল।
ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার উদ্দেশ্য ছিল ইসরায়েলের প্রশাসনিক ও সামরিক নেতৃত্বকে সরাসরি লক্ষ্য করা। IRGC দাবি করেছে যে Kheibar ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর উন্নত প্রযুক্তি আইরন ডোম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে বিঘ্নিত করতে সক্ষম হয়েছে এবং লক্ষ্য এলাকায় আঘাত হানতে পেরেছে।
ঘটনাটি মধ্যপ্রাচ্যের বিরূপ রাজনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনার এক নতুন পর্যায়ে পৌঁছেছে। এরই আগেই ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথ “Operation Lion’s Roar” অভিযান শুরু করে, যার ফলে ইরানের বিভিন্ন কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়। এগুলোর মধ্যে তেহরানে বিস্তীর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলা অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং যুদ্ধ পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
এ যুদ্ধাভিযানকে কেন্দ্র করে ইরান ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মিলিত হামলার প্রতিক্রিয়ায় পাল্টা পদক্ষেপ নেয়ার কথা ঘোষণা করেছিল। সেই প্রেক্ষাপটেই IRGC এই হামলার দাবি করে। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে এই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র কার্যক্রম চলমান সংঘাতকে আরও তীব্র করেছে, বিশেষ করে যখন অঞ্চলের অন্যান্য রাজনৈতিক খেলোয়াড় যেমন হিজবুল্লাহ ও অন্যান্য মিত্র গোষ্ঠীও তাদের প্রতিক্রিয়া বাড়িয়ে দিয়েছে।
ইসরায়েল এবং পশ্চিমা দেশগুলো এই দাবির স্বাধীনভাবে নিশ্চয়তা দেয়নি এবং হামলার ফলাফল নিয়ে ভিন্নমত প্রকাশ করেছে। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতি ও প্রতিযোগিতামূলক রেকর্ড অনুযায়ী এই ধরনের ঘটনার প্রভাব আন্তর্জাতিক শীতল সম্পর্কেও প্রতিফলিত হচ্ছে। শান্তি ও যুদ্ধ বিরতির জন্য আন্তর্জাতিক সমর্থনের দাবি বেড়েই চলেছে।
Leave a Reply