তিস্তা ডেস্ক রিপোর্ট:
২ মার্চ ২০২৬ কুয়েতের আকাশসীমায় একটি মার্কিন এফ‑১৫ ই স্ট্রাইক ঈগল (US Air Force F‑15E Strike Eagle) যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদে ভিডিও ফুটেজসহ দাবি করা হয়েছে। সামাজিক মাধ্যম ও ভিডিওতে দেখা গেছে বিমানটি আকাশে ঘুরেফিরে নিচে নেমে আসার সময় একটি ইঞ্জিন থেকে আগুন বের হচ্ছে এবং শেষ পর্যন্ত তা ধ্বংসের পরিস্থিতিতে পড়েছে। পরে পাইলট ও ক প্লেট (Weapons Systems Officer) উভয়ে প্যারাশুট দিয়ে বের হয়ে যান এবং দুইজনেই নিরাপদে নামেন বলে রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে।
ঘটনাটি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ঘটে, যেখানে ইরান‑ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কিত সংঘাত বিশ্বব্যাপী চাপ সৃষ্টি করেছে। ভিডিওতে দেখা গেছে যে ক্ষেপণাস্ত্র বা যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিমান পতিত হতে পারে, তবে সরকারিভাবে এখনও নির্দিষ্ট কোনো কারণ ঘোষণা করা হয়নি।
প্রাথমিক খবর অনুযায়ী, এটি ছিল ইসরায়েল‑ইরান যুদ্ধের উত্তেজনার পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর একটি আক্রমণকারী প্যাট্রোল বা সরাসরি সমর্থন মিশনে যুক্ত বিমান। ভিডিওতে ফ্লেম ট্রেইলসহ বিমানের ভূপাতন দৃশ্যের ফুটেজ ভাইরাল হয়েছে। পাইলট ও যোগাযোগ কর্মকর্তারা প্যারাশুটের মাধ্যমে নিরাপদে পুনরায় মাটিতে নেমে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে বলে বিভিন্ন অনলাইন সূত্রে বলা হচ্ছে।
এই ধরনের উল্লেখযোগ্য বিমান পতন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্য শক্তিধরদের মধ্যকার সম্পর্ক আরও জটিল ধারা গ্রহন করার সম্ভাবনা নিয়ে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, বিমান বিধ্বস্ত হওয়া যুদ্ধবিমানের কারণ নির্ধারণে একটি বিস্তারিত তদন্ত প্রয়োজন হবে, এতে যান্ত্রিক ত্রুটি, শত্রু প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বা অন্যান্য যেকোনো সম্ভাব্য কারণ খতিয়ে দেখা হবে।
এদিকে স্থানীয় সময় ভোর পর্যন্ত কুয়েত সরকার বা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি যে এটি সামরিক অভিযান হয়েছে বা দুর্ঘটনা ছিল, তবে পাইলটদের প্রাণ বাঁচায় পরিস্থিতি কিছুটা স্বস্তি সৃষ্টি করেছে।
Leave a Reply