নিজস্ব প্রতিনিধি,
নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলার সদর ইউনিয়নের পশ্চিম চিকনমাটি (নাউয়া পাড়া) এলাকার অসহায় দরিদ্র পরিবারের সাত বছরের শিশু তামিম ইসলাম এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। গুরুতর অসুস্থতায় ভুগলেও অর্থের অভাবে তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করাতে পারছেন না বাবা-মা। প্রতিটি দিন কাটছে অনিশ্চয়তা আর আতঙ্কের মধ্য দিয়ে।
কয়েকদিন আগে তামিম ভাত খেতে গেলে প্রচণ্ড কষ্ট অনুভব করত এবং গলায় তীব্র ব্যথা শুরু হয়। প্রথমে বিষয়টি সাধারণ সমস্যা মনে করে স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে তার গলায় টনসিল ধরা পড়ে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই টনসিল ভয়ংকর আকার ধারণ করে এবং পরবর্তীতে তা টিউমারে রূপ নেয়। শিশুটির শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটতে থাকে।
পরিস্থিতির অবনতি হলে তামিমকে রংপুরে নিয়ে গিয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন তার পরিবার। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসকরা দ্রুত অপারেশনের মাধ্যমে চিকিৎসা করার পরামর্শ দেন। চিকিৎসকদের মতে, দেরি হলে তামিমের জীবন চরম ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। অপারেশন ও চিকিৎসা বাবদ আনুমানিক এক লাখ টাকা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন তারা।
কিন্তু এই অর্থ জোগাড় করা তামিমের পরিবারের পক্ষে একেবারেই অসম্ভব। তার বাবা আব্দুল মোতালেব একজন পেটেল ভ্যান চালক। দিনমজুরির সামান্য আয়ে স্ত্রী ও তিন সন্তানসহ পাঁচ সদস্যের পরিবার কোনোরকমে চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। সংসারের নিত্যপ্রয়োজন মেটাতেই হিমশিম খেতে হয় তাকে।
তামিমের মা হুসনেআরা একজন গৃহিণী এবং তিনি বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। ফলে পরিবারের সব দায়িত্ব বাবার কাঁধেই বর্তেছে। চিকিৎসার ব্যয় বহন করা তো দূরের কথা, প্রতিদিনের খাবার জোগাড় করতেও এই পরিবারকে সংগ্রাম করতে হচ্ছে।
একমাত্র সন্তানকে বাঁচাতে এখন সমাজের দয়ার ওপর ভরসা করে দিন কাটাচ্ছেন অসহায় বাবা-মা। ছেলের চিকিৎসার জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন তারা। চোখে অশ্রু আর বুকভরা অসহায়ত্ব নিয়ে সমাজের হৃদয়বান ও দানশীল ব্যক্তিদের কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন তারা।
তামিমকে বাঁচাতে যে কেউ আর্থিক সহায়তা করতে চাইলে নিচের নম্বরে যোগাযোগ বা অনুদান পাঠাতে পারেন—
বিকাশ/নগদ (পার্সোনাল): ০১৩০০১৪৭৫৬০
একটু সহানুভূতি ও সহযোগিতাই ফিরিয়ে দিতে পারে একটি শিশুর জীবন।
Leave a Reply