নিজস্ব প্রতিনিধি,
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ১৭ জানুয়ারিকে একটি প্রকাশ্যে দেওয়া ভাষণে প্রথমবারের মতো স্বীকার করেছেন যে দেশজুড়ে চলা সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ও অস্থিরতায় “হাজারো মানুষ নিহত” হয়েছেন। খামেনি বলেন, অনেক মানুষ “অমানবিক ও বর্বর উপায়ে” মারা গেছেন, যদিও তিনি নির্দিষ্ট হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ করেননি। তিনি নিহতদের জন্য বিদেশি শক্তি, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ভূমিকার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন এবং বলেন যে তারা সহিংসতা বাড়িয়েছে ও দেশকে বিশৃঙ্খলায় ফেলে দিয়েছে।
বিক্ষোভগুলো ডিসেম্বরের শেষ থেকে শুরু হয়ে দ্রুত তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়ে, মূলত অর্থনৈতিক কষ্ট ও রাজনৈতিক সংস্কারের দাবি নিয়ে। মানবাধিকার সংস্থা **এইচআরএএনএ’র (HRANA) তথ্য অনুযায়ী নিহতের সংখ্যা প্রায় ৩,০৯০ ছাড়িয়েছে, যদিও ইরানি কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিক সংখ্যা ঘোষণা করেনি।
খামেনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে “অপরাধী” বলে অভিহিত করেছেন এবং অভিযোগ করেছেন যে তার ভাষ্য ও কর্মসূচি বিক্ষোভ এবং তীব্র দমনকেই উৎসাহিত করেছে। একই সঙ্গে তিনি শাস্তির আওতায় আনতে এবং দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
এই স্বীকারোক্তি আন্তর্জাতিক মঞ্চে ইরানের বিরুদ্ধে মানবাধিকার ও রাজনৈতিক চাপের পরিপ্রেক্ষিতে গুরুত্ব পাচ্ছে, যেখানে সংবাদ সংস্থা ও নজরদারি সংগঠনগুলো নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি হতাহত হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন
Leave a Reply