ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। এ কারণেই তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরোধিতার মুখে পড়েন বলে বিশ্লেষকদের মত। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও কূটনৈতিক চাপ উপেক্ষা করে ইরান, চীন, উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখায় ওয়াশিংটনের সঙ্গে কারাকাসের সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
ঘটনাপ্রবাহের চূড়ান্ত পর্যায়ে শনিবার মধ্যরাতে ভেনেজুয়েলায় বিমান হামলার মাধ্যমে মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে রাশিয়া। ক্রেমলিন একে সশস্ত্র আগ্রাসন ও আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। ইরান ভেনেজুয়েলার সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের নিন্দা জানিয়েছে এবং চীন ঘটনাটিকে আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করে মাদুরো দম্পতির মুক্তির দাবি তুলেছে।
এরপর এক সংবাদ সম্মেলনে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ভেনেজুয়েলার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকবে এবং দেশটির তেল খনিগুলো মার্কিন কোম্পানির আওতায় আনা হবে। মাদুরোকে আটক করতে ডেলটা ফোর্স ব্যবহারের কথা জানানো হয়েছে। বর্তমানে তাকে যুক্তরাষ্ট্রের ব্রুকলিনের উচ্চ নিরাপত্তা কারাগারে রাখা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
Leave a Reply