নিজস্ব প্রতিনিধি,
আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোরালো হয়ে উঠেছে নতুন এক জোট গঠনের আলোচনা। বিএনপি–জামায়াতের বাইরে বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি তৈরির গুঞ্জন দীর্ঘদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল। এবার সেই জল্পনা বাস্তবে রূপ নিতে চলেছে—এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর বাংলা মোটরে দলটির অস্থায়ী কার্যালয়ে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসরুদ্দিন পাটোয়ারী জানান, খুব শিগগিরই দেশের মানুষ দেখতে পাবে একটি নতুন রাজনৈতিক অ্যালায়েন্স। তাঁর দাবি, এটি হবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে গঠিত একটি জোট, যা “ধর্মীয় ফ্যাসিবাদ, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে” একযোগে কাজ করবে এবং ৩০০ আসনেই প্রার্থী দেবে। তিনি আরও বলেন, এই জোট নারীর অধিকার, সংস্কার এবং আলেম–ওলামাদের সুরক্ষার পক্ষে অবস্থান নেবে।
এদিকে রাজনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে—এবি পার্টি, এনসিপি, গণঅধিকার পরিষদ, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন, বাংলাদেশসহ মোট ছয় থেকে সাতটি দল নির্বাচনী জোট গঠন নিয়ে পর্দার আড়ালে আলোচনা চালাচ্ছে। প্রাথমিক পরিকল্পনায় রয়েছে ২৭ নভেম্বরের মধ্যেই জোট ঘোষণার সম্ভাবনা, তবে সবকিছুই নির্ভর করছে চূড়ান্ত সমঝোতার ওপর।
এ বিষয়ে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, আলোচনা চলমান এবং অগ্রগতির বিষয়ে শিগগিরই জানানো হবে। একইভাবে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর জানান, সাতটি দল নিয়ে জোট গঠনের আলোচনা এগোচ্ছে, তবে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হতে আরও কিছু সময় লাগবে।
নতুন এই সম্ভাব্য অ্যালায়েন্স নির্বাচনী মাঠে কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে—সেটিই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
Leave a Reply