বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল এবারই প্রথমবার এশিয়ান কাপে অংশগ্রহণ করছে। ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের সঙ্গে আছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন চীন নারী জাতীয় ফুটবল দল এবং সাবেক চ্যাম্পিয়ন উত্তর কোরিয়া নারী জাতীয় ফুটবল দল। ১২ দলের এই আসরে সর্বোচ্চ ফিফা র্যাংকিং (৭) অধিকারী উত্তর কোরিয়া।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে উত্তর কোরিয়ার কোচ রি সন হো বাংলাদেশ দলকে প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “আমার মনে হয়েছে বাংলাদেশ দল আমি যতটা ভেবেছিলাম তার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। তাদের আক্রমণভাগ দ্রুত এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে দক্ষ। সাধারণভাবে বলতে গেলে, বাংলাদেশ খুব দ্রুতগতির দল।”
কোচ তিনজন খেলোয়াড়কে বিশেষভাবে বিপজ্জনক মনে করছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে সতর্ক তিনি ১৭ নম্বর জার্সিধারী ঋতুপর্ণা চাকমা-কে উল্লেখ করেছেন, যিনি বাম প্রান্ত দিয়ে দ্রুত আক্রমণ করতে পারেন। বাকি দুই খেলোয়াড়ের নাম তিনি স্পষ্ট করেননি।
বাংলাদেশের আক্রমণভাগ বিশেষ করে চীনের বিপক্ষে কার্যকর ছিল। ঋতুপর্ণা ও মনিকা ডিফেন্স ভাঙার কাছে গিয়েছিলেন। বিশেষ করে ১৪ মিনিটে ঋতুপর্ণা বল কেড়ে দূর থেকে শক্ত শট নিয়েছিলেন। কোচের মতে, বাংলাদেশের আক্রমণভাগের গতি এবং তীক্ষ্ণতা তাদেরকে চিন্তা করতে বাধ্য করেছে।
‘বি’ গ্রুপের প্রতিটি দলের শীর্ষ দুই দল ও তৃতীয় স্থানে থাকা সেরা দুটি দল কোয়ার্টার ফাইনালে উঠবে। আগামীকাল চীন ও উত্তর কোরিয়ার ম্যাচ জিতে গেলে দুই দলেরই কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত হবে।
কোচের কৌশলগত মন্তব্য: “গোল ব্যবধান বাড়ানো আমাদের প্রধান লক্ষ্য নয়। আমরা প্রতিটি ম্যাচে জিততে চাই। তাই খেলোয়াড়দের পুরো ফোকাস ম্যাচে রাখছি।”
Leave a Reply