ডেস্ক রিপোর্ট
নবনির্মিত স্টেডিয়ামে ইতিহাস গড়ার অপেক্ষায় ছিল হাজারো দর্শক। গ্যালারিজুড়ে উচ্ছ্বাস, আলো আর প্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন Lionel Messi। Inter Miami CF-এর নতুন ঘরে প্রথম ম্যাচ—সবকিছুই যেন এক স্মরণীয় সন্ধ্যার ইঙ্গিত দিচ্ছিল।
ম্যাচের শুরুটা অবশ্য প্রত্যাশামতো হয়নি মিয়ামির। ৬ মিনিটেই এগিয়ে যায় Austin FC, ডিফেন্ডার গুইলহার্মে বিরোর গোলে। ফলে নতুন স্টেডিয়ামের ইতিহাসে প্রথম গোলটি আসে প্রতিপক্ষের একজন খেলোয়াড়ের পা থেকে—যা মিয়ামি সমর্থকদের জন্য কিছুটা হতাশার।
তবে হতাশা বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেননি মেসি। ম্যাচের ১০ মিনিটে অসাধারণ এক হেডে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান তিনি। নতুন মাঠে তার গোল যেন দর্শকদের উচ্ছ্বাসে নতুন মাত্রা যোগ করে।
সমতায় ফেরার পর বল দখলে কিছুটা আধিপত্য দেখায় অস্টিন। দ্বিতীয়ার্ধের ৫৩ মিনিটে জেইডেন নেলসনের গোলে আবারও এগিয়ে যায় তারা। ম্যাচ তখন কঠিন হয়ে ওঠে মিয়ামির জন্য।
৭৩ মিনিটে মাঠে নামেন Luis Suárez, এবং মাত্র আট মিনিটের মধ্যেই গোল করে দলকে আবারও সমতায় ফেরান। তার অভিজ্ঞতা ও উপস্থিতি ম্যাচে নতুন গতি এনে দেয়।
ম্যাচের শেষদিকে নাটকীয়তা আরও বাড়ে। ৯০ মিনিটে মেসির নেওয়া ফ্রি-কিক পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বলে সুয়ারেজ গোল করলেও সেটি অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। ফলে জয়ের খুব কাছে গিয়েও শেষ পর্যন্ত ২-২ সমতায় সন্তুষ্ট থাকতে হয় মিয়ামিকে।
সব মিলিয়ে, নতুন স্টেডিয়ামে Inter Miami CF-এর প্রথম ম্যাচে মেসির গোল, সুয়ারেজের প্রত্যাবর্তন—সবকিছুই ছিল রোমাঞ্চে ভরা। তবুও জয় না পাওয়ার আক্ষেপ থেকেই গেল।
আগামী সপ্তাহে এই মাঠেই New York Red Bulls-এর বিপক্ষে মাঠে নামবে মিয়ামি, যেখানে সমর্থকরা নিশ্চয়ই প্রথম জয়ের অপেক্ষায় থাকবে।
Leave a Reply