তিস্তা টিভি ডেস্ক
রাজধানীর পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প এলাকায় আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে বড় ধরনের সাংগঠনিক ও অবকাঠামোগত পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে ৪টি থানা, ৬টি তদন্ত কেন্দ্র এবং ২টি পুলিশ লাইনস স্থাপনের নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) পূর্বাচল এলাকায় বরকাউ পুলিশ ক্যাম্প উদ্বোধন শেষে এ তথ্য জানান পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
তিনি বলেন, পূর্বাচল এলাকায় জনসংখ্যা ও নগরায়ণের বিস্তার বিবেচনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণের জন্য ডিএমপির কাঠামোর আওতায় একটি পূর্ণাঙ্গ পুলিশ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৪টি থানার পাশাপাশি ৬টি তদন্ত কেন্দ্র, ২টি পুলিশ লাইনস, ৩টি উপ-কমিশনার (ডিসি) অফিস এবং ৪১টি পুলিশ বক্স স্থাপনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে পুলিশের জন্য বরাদ্দকৃত ২৯ দশমিক ২১ একর জমির মধ্যে ১৮ দশমিক ৬৩ একরের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান আইজিপি।
তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে পূর্বাচলকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পূর্ণাঙ্গ অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর জন্য একজন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারের নেতৃত্বে আলাদা প্রশাসনিক ইউনিট গঠনের প্রস্তাবও বিবেচনায় আছে।
প্রস্তাবিত কাঠামো বাস্তবায়িত হলে সেখানে প্রায় ৬ হাজার ৫২৪ জন পুলিশ সদস্যের জনবল তৈরি হবে, যা নতুন শহর প্রকল্প এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও সুসংগঠিত করবে।
অনুষ্ঠানে ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দারাও এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পূর্বাচলের মতো দ্রুত বিকাশমান এলাকায় এই ধরনের পূর্ণাঙ্গ পুলিশ অবকাঠামো গড়ে উঠলে ভবিষ্যতে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও নগর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
Leave a Reply