জেলা প্রতিনিধি
রংপুরের তারাগঞ্জে তেল সংকট মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসন চালকদের আঙুলে অমোচনীয় কালি লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছে। এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য, একই ব্যক্তি বারবার তেল সংগ্রহ করে মজুদ করতে না পারে তা নিশ্চিত করা। বাইকাররা এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগকে ইতিবাচক বলে স্বাগত জানিয়েছেন।
রোববার (৫ এপ্রিল) উপজেলা বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা গেছে, মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি রয়েছে। তেল সরবরাহের আগে চালকের বৈধ কাগজপত্র যাচাই করা হচ্ছে এবং আঙুলে কালি দিয়ে চিহ্ন দেওয়া হচ্ছে। এই ব্যবস্থা কার্যকর হওয়ায় একই ব্যক্তি দিনে একাধিকবার তেল নিতে পারছে না।
উপজেলার সকল ফিলিং স্টেশনে—মেসার্স তারাগঞ্জ, মেসার্স সোনালী, মেসার্স আর বি, মেসার্স আবুল ফজল ও এরিস্টোক্র্যাট—একযোগে তেল বিতরণ করা হচ্ছে। এতে সারি কিছুটা কমেছে এবং জ্বালানি বিতরণে স্বচ্ছতা বেড়েছে।
ফিলিং স্টেশনের কর্মকর্তারা জানান, সরবরাহের তুলনায় চাহিদা অনেক বেশি। কিছু অসাধু ব্যক্তি একাধিকবার তেল সংগ্রহ করে বাইরে বিক্রি বা মজুদ করার চেষ্টা করছিলেন। আঙুলে কালি লাগানোর মাধ্যমে এই সুযোগ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।
তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোনাববর হোসেন বলেন, “চালকেরা বৈধ কাগজপত্র দেখালে তেল পাবেন। একাধিকবার সংগ্রহ রোধ করতে জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই ও আঙুলে কালি লাগানো হচ্ছে। অবৈধ বোতল ও জারে তেল বিক্রি রোধের পাশাপাশি, লাইসেন্সবিহীন মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।”
Leave a Reply