1. tistanewsbd2017@gmail.com : Tista24 :
April 19, 2026, 8:05 pm

গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি নিখুঁত ভোট: প্রধান উপদেষ্টা

Reporter Name
  • Update Time : Sunday, February 8, 2026
  • 75 Time View

তিস্তা নিউজ ডেস্ক:

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, সারা দেশে উৎসাহ-উদ্দীপনা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচনী প্রচারণা চলছে, যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস ও সংস্কৃতির জন্য একটি অত্যন্ত ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনী প্রচারণায় কেউ কারো বিরুদ্ধে কটু কথা বলছে না, কোথাও কোনো অভদ্র আচরণও চোখে পড়ছে না। এখন পর্যন্ত নির্বাচন প্রস্তুতির প্রতিটি ধাপ অত্যন্ত ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় নির্বাচন প্রস্তুতি সংক্রান্ত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এসব কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা। বৈঠক শেষে প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের কাছে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য তুলে ধরেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আমরা প্রস্তুতি নিয়ে সন্তুষ্ট। উই আর ভেরি হ্যাপি। কিন্তু এখন আমাদের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে টু মেক ইট পারফেক্ট। ভোটটা যেন পারফেক্ট হয়, সেটাই এখন আমাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ।” তিনি আরও বলেন, আগামী এক সপ্তাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ের মধ্যে নির্বাচনকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ আরও দৃশ্যমান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ড. ইউনূস বলেন, ভোটের দিন নারীরা আনন্দের সঙ্গে ভোট দেবেন এবং মানুষ পুরো পরিবার নিয়ে একসঙ্গে ভোট উৎসবে অংশ নেবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আমি আশা করি এই নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে।”

প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরাপদ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য বিশেষ প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সারা দেশে প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৫ হাজার ৭০০ কেন্দ্রে পুলিশ সদস্যদের বডি ওর্ন ক্যামেরা সরবরাহ করা হচ্ছে। বৈঠকের শুরুতেই প্রধান উপদেষ্টা র‍্যান্ডমভাবে পাঁচটি স্থানের পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং বডি ওর্ন ক্যামেরা কীভাবে কাজ করছে, সে বিষয়ে সরাসরি খোঁজ নেন।

তিনি আরও জানান, নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ এখন পুরোপুরি চালু করা হয়েছে। এই অ্যাপটি শুধু নির্বাচনের দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ব্যবহার করবেন। কোনো ভোটকেন্দ্রে বা কেন্দ্রের আশপাশে যদি গোলযোগ, সহিংসতা বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে, তাহলে অ্যাপের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে বার্তা পৌঁছে যাবে সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা বাহিনী, রিটার্নিং অফিসার এবং কেন্দ্রীয়ভাবে নির্বাচন কমিশনের কাছে। এর ফলে দ্রুত হস্তক্ষেপ ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে।

প্রেস সচিব বলেন, অতীতে দুর্গাপূজার সময় একই ধরনের একটি অ্যাপ ব্যবহার করে ৩২ হাজার মণ্ডপ সফলভাবে নজরদারির আওতায় আনা হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায়, এই প্রযুক্তি পরীক্ষিত এবং অত্যন্ত কার্যকর। এবারের নির্বাচনেও এই উদ্যোগ সুষ্ঠু, নিরাপদ ও গ্রহণযোগ্য ভোট আয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 Jaldhaka IT Park
Theme Customized By LiveTV