তিস্তা নিউজ ডেস্ক
বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সশরীর ক্লাশের পাশাপাশি অনলাইন বা ব্লেন্ডেড লার্নিং কার্যক্রম চালুর প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, একদিন অনলাইনে ক্লাশ অনুষ্ঠিত হলে পরবর্তী দিন সশরীর ক্লাশ হবে।
মহানগর এলাকার স্কুল ও কলেজগুলোতে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ক্লাশ এবং তিন দিন সশরীর ক্লাশের প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে এ নিয়ম থেকে কিছুটা আলাদা করা হতে পারে।
শিক্ষামন্ত্রী A N M Ehsanul Haque Milon গত মঙ্গলবার জানান, জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকার অনলাইন ক্লাশ চালুর বিষয়ে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করছে। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাবটি উপস্থাপন করা হবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্টদের পরামর্শের ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এ বছরের রমজান ও ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ৪০ দিনের ছুটি কাটিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি গত রোববার পুনরায় খুলেছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংকটের প্রভাব দেশের শিক্ষাখাতেও পড়ছে। যাতায়াত সীমিত রাখা এবং বিদ্যুতের চাপ কমানোর জন্য আংশিক অনলাইন পাঠদানকে কার্যকর বিকল্প হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ব্লেন্ডেড লার্নিং কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের জন্য সময় ও খরচ উভয় দিকেই সুবিধাজনক হতে পারে। পাশাপাশি এটি জরুরি পরিস্থিতিতে শিক্ষার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার একটি টেকসই ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করবে।
Leave a Reply