তিস্তা নিউজ ডেস্ক:
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে একুশে পদক প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman। দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৬ সালের একুশে পদকপ্রাপ্ত গুণী ব্যক্তিদের হাতে তিনি সম্মাননা পদক, সনদপত্র ও আর্থিক পুরস্কার তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একুশের চেতনা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার মূল প্রেরণা। তিনি উল্লেখ করেন, ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের ফলেই বাঙালি জাতি নিজেদের সাংস্কৃতিক পরিচয় ও আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে।
এ বছর সাহিত্য, সংগীত, অভিনয়, গবেষণা, শিক্ষা, সাংবাদিকতা, মুক্তিযুদ্ধ, সমাজসেবা ও বিজ্ঞান-প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য মোট ২১ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি একুশে পদকে ভূষিত হন। মরণোত্তর পদকপ্রাপ্তদের পক্ষ থেকে তাঁদের স্বজনরা সম্মাননা গ্রহণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, সরকার সংস্কৃতি ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি নতুন প্রজন্মকে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস জানার আহ্বান জানান এবং দেশ গঠনে সততা, মানবিকতা ও দেশপ্রেমের চর্চা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্য, বিচারপতি, সংসদ সদস্য, কূটনীতিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও পদকপ্রাপ্তদের পরিবারবর্গ উপস্থিত ছিলেন। শুরুতে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আয়োজিত এই পদক বিতরণ অনুষ্ঠান দেশের কৃতি সন্তানদের অবদানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও স্বীকৃতির আরেকটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।
Leave a Reply