তিস্তা নিউজ ডেস্ক:
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ব্যালট পেপার সরবরাহ কার্যক্রম শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আসনভিত্তিক প্রার্থীর নাম ও প্রতীকসংবলিত ব্যালট পেপার রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হচ্ছে। রোববার ঢাকা থেকে দেশের ১৩টি জেলায় ব্যালট পেপার পাঠানো হয়েছে এবং আরও ৮টি জেলায় পাঠানোর কার্যক্রম চলছে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের উপসচিব রাশেদুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট জেলার সব সংসদীয় আসনের ব্যালট পেপার মুদ্রণ শেষ হওয়ার পরই সেগুলো ধাপে ধাপে পাঠানো হচ্ছে। নির্বাচনের সময়সূচি অনুযায়ী যাতে কোনো ধরনের বিলম্ব বা জটিলতা না হয়, সে জন্য আগেভাগেই এই কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যে মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, বাগেরহাট, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, লালমনিরহাট, লক্ষ্মীপুর, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিসহ আরও একটি জেলায় ব্যালট পেপার পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সোমবার পটুয়াখালী, বরিশাল, বরগুনা, পিরোজপুর, হবিগঞ্জ, চাপাইনবাবগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ ও গাজীপুর জেলায় ব্যালট পেপার পাঠানো হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ঢাকা থেকে ব্যালট পেপারসহ অন্যান্য নির্বাচনি সামগ্রী কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পরিবহন করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তত্ত্বাবধানে বিশেষ ব্যবস্থায় এসব সামগ্রী সংশ্লিষ্ট জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। সেখানে নির্ধারিত নিরাপদ স্থানে এগুলো সংরক্ষণ করা হবে। ভোটগ্রহণের আগের দিন কেন্দ্রভিত্তিক ব্যালট পেপার ও নির্বাচনি সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হবে।
এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের ৬৪ জেলার ৩০০টি সংসদীয় আসনে মোট ২০১৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। ইসি সূত্র জানায়, গণভোটের ব্যালট পেপার ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোতে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার চালাতে পারবেন। কমিশন আশা করছে, সময়মতো সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা গেলে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন সম্ভব হবে।









Leave a Reply