নিজস্ব প্রতিনিধি,
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে বিয়ের আনন্দ কেটে গেছে মামলার জটিলতায়, যখন বর রায়হান কবির অভিযোগ করেছেন, বিয়ের আগে যাকে দেখানো হয়েছিল, বাসর রাতে যে নববধূ উপস্থিত ছিলেন, তিনি সেই নারী নন। ঘটনা সমাজে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
গত বছরের ১ আগস্ট রাণীশংকৈল উপজেলার ভান্ডার এলাকার জিয়ারুল হকের মেজো মেয়ের সঙ্গে পীরগঞ্জ উপজেলার মৃত ইব্রাহীমের ছেলে রায়হান কবিরের বিয়ে হয়। বিয়ের রাতেই বর ও তার পরিবার কনে বদলের অভিযোগ তোলে। উভয় পক্ষের মধ্যে একাধিক বৈঠক হয়, তবে কোনো সমাধান হয়নি। পরে কনের বাবা রায়হান ও তার দুলাভাই মানিক হাসানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পাল্টা হিসেবে রায়হান কনের বাবা ও ঘটক মোতালেবের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করেন।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) আদালত রায়হান কবিরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বরের মামা বাদল জানান, ঘটক মোতালেবের মাধ্যমে ছেলেপক্ষকে মেয়েটি দেখানো হয়েছিল। অতিরিক্ত মেকআপের কারণে বিয়ের রাতেই বিষয়টি বোঝা যায়নি। বাসর রাতে মুখ ধোয়ার পর রায়হান বুঝতে পারেন, তাকে অন্য কনেকে দেওয়া হয়েছে। পরে কনেকে তার বাবার বাড়িতে পাঠানো হয়।
কনের বাবা ও ঘটক অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তারা বলছেন, মেয়েটিকে ছেলেপক্ষ বাড়িতে গিয়ে দেখেছে এবং কনে বদলের অভিযোগ ভিত্তিহীন। এছাড়া ছেলেপক্ষ বিয়ের পর যৌতুক দাবি করেছিল বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।
ঠাকুরগাঁও আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদিন বলেন, বিষয়টি এখন বিচারাধীন। আদালতের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
Leave a Reply