সম্প্রতি ভারতের কিছু রাজনৈতিক নেতার উসকানিমূলক বক্তব্য ও সীমান্ত সংক্রান্ত কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিজেপি নেতা টি রাজা সিং বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের প্রতি আচরণ নিয়ে উসকানিমূলক মন্তব্য করেছেন এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হস্তক্ষেপের জন্য সীমান্ত খোলার দাবি জানিয়েছেন। এছাড়া পশ্চিমবঙ্গের বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, গাজায় ইসরাইল যে শিক্ষা দিয়েছে, বাংলাদেশকেও সেভাবেই শিক্ষা দেওয়া উচিত।
নিরাপত্তা বিশ্লেষক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) রোকন উদ্দিন বলেন, ভারতের রাজনৈতিক নেতারা সময় সময়ে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। বর্তমানে সরাসরি কোনো আক্রমণের সম্ভাবনা কম হলেও সীমান্ত নিরাপত্তা শক্ত রাখা এবং প্রস্তুত থাকা অত্যন্ত জরুরি।
বিজিবির ব্যাটালিয়ন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সীমান্তে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার সুযোগ নেই এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সর্বদা তৎপর। ভারতের সীমান্তে বিএসএফ সদস্য বৃদ্ধি ও নতুন ক্যাম্প নির্মাণের পাশাপাশি সীমান্তে কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে। বাংলাদেশে অবৈধ ঢুকিয়ে দেওয়া এবং সীমান্ত লঙ্ঘন রোধে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
তৃণমূল কংগ্রেস শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্যকে গণহত্যার ডাক এবং সাম্প্রদায়িক উসকানি হিসেবে কঠোর সমালোচনা করেছে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ প্রস্তুত এবং প্রয়োজন হলে যথাযথ প্রতিক্রিয়া দেবে।
Leave a Reply