তিস্তা নিউজ ডেস্ক:
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বুধবার, সকাল ১১:৩৪ মিনিট — স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন যে ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডের যথাযথ বিচার করা হবে এবং ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে সে বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি এটিকে শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বব্যাপী নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডগুলোর অন্যতম হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বলেন, যারা শহীদ সেনাদের বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘটিত করেছে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলস (বর্তমানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) সদর দপ্তরে সংঘটিত হতاند ঘটনায় মোট ৭৪ জন নিহত হন; এর মধ্যে ছিল ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা, তাদের পরিবার এবং অন্যান্য ব্যক্তি। দীর্ঘ সময় পরেও শহীদদের পরিবারগুলো ন্যায়বিচারের জন্য অপেক্ষায় রয়েছে এবং দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব বারবার বিচার সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তদন্ত প্রতিবেদন ও বিচার প্রক্রিয়া পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে এবং যারা অপরাধে জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি আরো জোর দিয়ে বলেন, সবাইকে আইন এবং ন্যায়বিচারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে যাতে ভবিষ্যতে এমন মারাত্মক ঘটনা আর না ঘটে।
এ প্রসঙ্গে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিশ্লেষকরা জানাচ্ছেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচারের প্রক্রিয়া দীর্ঘ সময় ধরে জটিলতা ও বিচারিক কার্যক্রমে বিভিন্ন পর্যায়ে ঘুরপাক খেয়েছে। তবে সরকারি পক্ষের দাবিতে সব ধরনের প্রমাণ ও সাক্ষ্যাদি যাচাই করে নিরপেক্ষভাবে কার্যকর বিচার করার কথা বলা হচ্ছে। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের স্মরণে জাতীয়ভাবে প্রতি বছর ২৫ ফেব্রুয়ারি “জাতীয় শহীদ সেনা দিবস” হিসেবে পালন করা হয় এবং ওই দিনটিকে স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন, বিশেষ দোয়া ও শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়।
Leave a Reply