1. tistanewsbd2017@gmail.com : Tista24 :
April 20, 2026, 12:35 am

জনমনে কৌতূহল ও গণমাধ্যমে প্রতিক্রিয়ার কারণে দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে বেশি আলোচনা হয়।

Reporter Name
  • Update Time : Tuesday, January 13, 2026
  • 101 Time View

নিজস্ব প্রতিনিধি,

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হঠাৎ দ্বিতীয় বিয়েকে ঘিরে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে। কেউ প্রশ্ন করছেন, প্রথম স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও কেন দ্বিতীয় বিয়ে করা যায়, কেউ জানতে চাইছেন আর্থিক সক্ষমতার বিষয়, আবার কেউ জানতে চাইছেন প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া কি দ্বিতীয় বিয়ে সম্ভব। বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ৬ ধারা এবং হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়।

আইনজীবী ইশরাত জাহান ২০২১ সালে হাইকোর্টে রিট করেন। তার যুক্তি ছিল, এই ধারা নারীর সাংবিধানিক অধিকার ক্ষুণ্ণ করছে। ইসলামে একাধিক বিয়ের অনুমতি থাকলেও সব স্ত্রীর প্রতি সমান সুবিচারের শর্ত থাকলেও আইন তা কার্যকর করে না। শুধু ‘বিয়ে করার অনুমতি’ অংশ নেওয়া হয়, কিন্তু ভরণপোষণ, আর্থিক সক্ষমতা বা সুবিচারের যাচাই হয় না।

হাইকোর্ট ২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি রুল জারি করেন। শুনানি শেষে ২০ আগস্ট রুল খারিজ করা হয়। পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়েছে, ধারা বৈষম্যমূলক নয়, আইন নারী ও পুরুষের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করে না। সালিশি কাউন্সিল একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত দিতে পারে না, এবং বহুবিবাহে অনুমতি দেওয়ার বা না দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো আইনি প্রতিবন্ধকতা নেই।

৬(১) ধারার অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি বিয়ে বহাল থাকা অবস্থায় সালিশি কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করতে পারবেন না। অনুমতি ছাড়া বিয়ে নিবন্ধনযোগ্য নয়। অনুমতি না থাকলে দেনমোহর পরিশোধ বা এক বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড, সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় শাস্তি হতে পারে।

ইশরাত জাহান বলেন, আইনে কখনোই প্রথম স্ত্রীর অনুমতিকে বাধ্যতামূলক বলা হয়নি। হাইকোর্টের রুল আগের অবস্থান বহাল রেখেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 Jaldhaka IT Park
Theme Customized By LiveTV