নিজস্ব প্রতিনিধি,
সংবিধানে তত্ত্বাধায়ক সরকার ব্যবস্থা
ফিরলো 14 বছর পর। আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ
বেঞ্চের রায়ে বলা হয়েছে এই ব্যবস্থা
সাংবিধানিকভাবে বৈধ। প্রধান বিচারপতি
সৈয়েদ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত
সদস্যের আপিল বিভাগ এই রায় দেয়। রায়ে
বলা হয়েছে এই ব্যবস্থা কার্যকর হবে
চতুর্দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে। কারণ
হিসেবে বলা হয়েছে নির্বাচিত সংসদে এই
ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করে সংবিধান
পরিবর্তন করে তারপরতা কার্যকর হবে। ত্রয়দশ
সংশোধনীর মাধ্যমে 1996 সালে সংবিধানে
তত্ত্বাধায়ক সরকার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত
হয়। তবে এই ব্যবস্থা বাতিল করে 2011 সালে
রায় দেয় আপিল বিভাগ। ত্রয়দশ সংশোধনী
বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের
আইনজীবী এম সলিমুল্লাহ সহ অন্যান্যরা 1999
সালে এটি রিট করেন। চূড়ান্ত শুনানী শেষে
2004 সালের চৌঠা আগস্ট হাইকোর্টের বিশেষ
বেঞ্চ রায় দেয়। সেই রায়ে সংবিধানে
ত্রয়দশ সংশোধনীকে বৈধ ঘোষণা করা হয়।
অর্থাৎ তত্ত্বাধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল
থাকে। এই রায়ের বিরুদ্ধে 2005 সালে আপিল
করে রিট আবেদনকারী পক্ষ। এই আপিল মঞ্জুর
করে 2011 সালে 10শে মে আপিল করে সে সময়
প্রধান বিচারপতি এবিএম খাইরুল হকের
নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বিভাগ
তত্ত্বাধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে দেয়।
2011 সালে সংবিধানে পঞ্চদশ সংশোধনী পাশ হলে
বাতিল হয়ে যায় সেই ব্যবস্থা। এর আগে
1996, 2001 ও 2008 সালে দেশের সংবিধান
অনুযায়ী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে
1996 সালের ত্রয়দশ সংশোধনের মাধ্যমে আনা
হয়েছিল। সেইটাকে সংবিধানের সাথে
সাংঘর্ষিক না বলে এটাকে সাংবিধানিক
হিসেবেই ঘোষিত করা হয়।
তত্ত্বাবদায়ক ব্যবস্থা বাংলাদেশের
গণতন্ত্রের জন্য একটি সহায়ক ব্যবস্থা
হিসেবে হয়তো ফুল জাজমেন্টে আসবে। দিনের
ভোট রাতে হবে না, মৃত মানুষ এসে ভোট দিয়ে
যাবেন না। এরকম একটি গণতান্ত্রিক
মহাসড়কে
দেশ চলতে শুরু করলে জনগনের ভোটাধিকার অক্ষুন্ন থাকবে বলে আশা করা হচে্ছ !
Leave a Reply