তিস্তা নিউজ ডেস্ক:
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত একুশে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman বলেছেন, “শিল্প-সাহিত্য চর্চায় রাজনীতিকরণ সভ্যতার লক্ষণ নয়।” তিনি বলেন, শিল্প ও সাহিত্য একটি জাতির মনন, সংস্কৃতি ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতিফলন; একে সংকীর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হলে সমাজের সৃজনশীল শক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী ভাষা আন্দোলনের চেতনা স্মরণ করে বলেন, ১৯৫২ সালের আত্মত্যাগ আমাদের শিখিয়েছে সাংস্কৃতিক স্বাধীনতার গুরুত্ব। সেই চেতনা ধারণ করে শিল্পী, সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিকর্মীদের স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।
এ বছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, সনদপত্র ও সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। সাহিত্য, সংস্কৃতি, গবেষণা, শিক্ষা, সমাজসেবা ও মুক্তিযুদ্ধের মতো ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা প্রদান করা হয়; মরণোত্তর পদকপ্রাপ্তদের পক্ষে তাঁদের স্বজনরা পুরস্কার গ্রহণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, একটি গণতান্ত্রিক সমাজে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সৃজনশীলতার বিকাশ অপরিহার্য। শিল্প-সাহিত্য মানুষের চেতনা জাগ্রত করে, সামাজিক সম্প্রীতি জোরদার করে এবং নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস ও মূল্যবোধের সঙ্গে যুক্ত করে। তাই সাংস্কৃতিক অঙ্গনে সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখা সবার দায়িত্ব।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, বিচারপতি, কূটনীতিক ও বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্য শিল্প-সাহিত্যের স্বাধীনতা রক্ষা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশ সুদৃঢ় করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।








Leave a Reply