1. tistanewsbd2017@gmail.com : Tista24 :
April 19, 2026, 1:39 pm

রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের সুদূরপ্রসারী দৃষ্টিভঙ্গি

Reporter Name
  • Update Time : Tuesday, January 20, 2026
  • 68 Time View

নিজস্ব প্রতিনিধি,

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক রূপরেখা তুলে ধরেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের প্রধান চ্যালেঞ্জ এখন শুধুমাত্র টিকে থাকা নয়, বরং স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা। নতুন বাংলাদেশ হবে ইনসাফ ও মর্যাদার, যেখানে দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি কার্যকর হবে। এছাড়া সব ক্ষেত্রে নারীদের পূর্ণ অংশগ্রহণ এবং সরকারি, বেসরকারি খাত ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত হবে।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) কূটনৈতিক প্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, শিক্ষাবিদ, শিল্পোদ্যোক্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে আয়োজিত পলিসি সামিট-২০২৬ অনুষ্ঠানে তিনি এসব রূপরেখা তুলে ধরেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস একটি দীর্ঘ ও অসমাপ্ত সংগ্রামের ইতিহাস, যেখানে মূল লক্ষ্য ছিল রাজনৈতিক স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক মুক্তি ও মানবিক মর্যাদা। ১৯৪৭ সালে ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্তির আকাঙ্ক্ষা এবং ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল সামাজিক ন্যায়বিচার ও অর্থনৈতিক মুক্তি, যা এখনও পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি।

তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে শাসনব্যবস্থার ব্যর্থতা ও কর্তৃত্ববাদী চর্চার কারণে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান দুর্বল হয়েছে, নাগরিকদের কণ্ঠস্বর সংকুচিত হয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে জনগণ, বিশেষ করে তরুণরা, নিজেদের অধিকার ও ভবিষ্যৎ পুনরুদ্ধারের জন্য সামনে এসেছে। ফ্যাসিবাদী শাসনের অন্ধকার অধ্যায় পার হয়ে এখন গণতান্ত্রিক রূপান্তরের গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দেশ দাঁড়িয়ে আছে, তবে চ্যালেঞ্জ এখনও অনেক।

অর্থনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রবৃদ্ধি থাকলেও কর্মসংস্থানের মান কমেছে, বেকারত্ব ও মূল্যস্ফীতি মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করেছে। তরুণ শিক্ষিতরা কর্মসংস্থানে রূপান্তর পাচ্ছে না, নারীরাও এখনও সুযোগের সীমাবদ্ধতার মুখে। তিনি উল্লেখ করেন, বিপুল সম্ভাবনার দেশ বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো জনগণ। দেশে শ্রমজীবী মানুষ এবং প্রবাসী কর্মীরা অর্থনীতি সচল রাখছেন।

নারীদের অংশগ্রহণ ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি নিশ্চিত করা হবে। রাষ্ট্র ও নাগরিক, সরকারি-বেসরকারি খাত এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব, যা ইনসাফ, মর্যাদা ও সমৃদ্ধির ভিত্তিতে গড়ে উঠবে। জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ বৃথা যাবে না—এটাই নতুন বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 Jaldhaka IT Park
Theme Customized By LiveTV