নিজস্ব প্রতিনিধি,
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ নিয়ে চলমান বিতর্কের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ বিষয়ে কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে পরীক্ষার ফল প্রকাশের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশন বিভাগের পরিচালক এ কে মোহাম্মদ সামছুল আহসান গণমাধ্যমে বলেন, প্রশ্ন ফাঁস, অনিয়ম ও কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতা নিয়ে নানা অভিযোগ উঠলেও তদন্তে সেগুলোর পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য মেলেনি। তিনি জানান, নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছে এবং এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
তবে অভিযোগকে কেন্দ্র করে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে নিয়োগপ্রত্যাশীদের মধ্যে। প্রশ্ন ফাঁস ও ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে জালিয়াতির অভিযোগ তুলে একদল পরীক্ষার্থী নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছেন। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে অভিযোগগুলো তদন্তের সিদ্ধান্ত নেয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
আন্দোলনকারীদের দাবির মধ্যে রয়েছে—পরীক্ষা বাতিল করে নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া, সব সরকারি চাকরির পরীক্ষা ঢাকায় আয়োজন, প্রতিটি কেন্দ্রে ডিভাইস চেকার ও নেটওয়ার্ক জ্যামার স্থাপন এবং স্বতন্ত্র কমিটির মাধ্যমে পরীক্ষা পরিচালনা। একই সঙ্গে প্রশ্ন ফাঁসে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিও তুলেছেন তারা।
অধিদপ্তর জানিয়েছে, ফল প্রকাশের পর প্রয়োজনীয় পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
Leave a Reply