তিস্তা নিউজ ডেস্ক:
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বুধবার সকাল ১১টা। বঙ্গভবনের দরবার হলে এক সংক্ষিপ্ত কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পদে শপথ গ্রহণ করেন। রাষ্ট্রপতির উপস্থিতিতে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, কূটনীতিক ও আমন্ত্রিত অতিথিদের সামনে তিনি সংবিধান অনুযায়ী দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার করেন। শপথের এই মুহূর্তটি দেশের রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ও নানা চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে তিনি রাষ্ট্র পরিচালনার সর্বোচ্চ নির্বাহী দায়িত্ব গ্রহণ করলেন। সমর্থকদের কাছে এটি প্রত্যাশিত পরিবর্তনের প্রতিফলন, আর বিশ্লেষকদের মতে এটি রাজনৈতিক সমীকরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়। শপথ অনুষ্ঠানে তিনি সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জাতীয় ঐক্য, গণতন্ত্রের শক্তিশালীকরণ এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন।
নতুন সরকারের সামনে তাৎক্ষণিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়েছে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা। পাশাপাশি সুশাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা এবং প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির বিষয়গুলোও অগ্রাধিকার পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সংস্কার, ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বৈদেশিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করাও সরকারের কর্মপরিকল্পনার অংশ হতে পারে।
রাজনৈতিক অঙ্গনে বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক কেমন হবে, তা নিয়েও ব্যাপক আলোচনা চলছে। সংলাপ ও সহনশীলতার মাধ্যমে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা গেলে তা দেশের সার্বিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
সকাল ১১টার সেই শপথের মধ্য দিয়ে শুরু হলো এক নতুন অধ্যায়। এখন জাতির দৃষ্টি নতুন প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপের দিকে—তিনি কতটা সফলভাবে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেন, সেটিই সময়ের সঙ্গে স্পষ্ট হয়ে উঠবে।
Leave a Reply