তিস্তা নিউজ ডেস্ক :
শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ৩টার দিকে মারা গেছেন। শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামের সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। পরিবারের বরাতে জানা গেছে, রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাকে প্রথমে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার পথে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় অবস্থার অবনতি হলে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু নিশ্চিত হয়।
মরহুমের ভাই মাসুদ পরিবার পক্ষ থেকে মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে জানিয়েছে, শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ আসনের মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল কিডনির সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। পোস্টে মরহুমের জন্য জান্নাতুল ফেরদাউস কামনা করা হয়েছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক প্রার্থনা করা হয়েছে।
নুরুজ্জামান বাদল শেরপুর জেলার জামায়াতের একজন সুপরিচিত নেতা ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি স্থানীয় রাজনীতি ও দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। তার নেতৃত্বে এবং প্রচেষ্টায় জামায়াত শেরপুরে নিজের কার্যক্রমকে সুসংগঠিত করতে সক্ষম হয়। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তার আকস্মিক মৃত্যু শোক ও হতাশার সৃষ্টি করেছে।
নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যু শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনী পরিস্থিতিতেও প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে। এলাকার সাধারণ মানুষ, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও রাজনৈতিক অংশীজনরা তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তাঁরা মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা করেছেন এবং তার পরিবার ও দলের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের মতে, নুরুজ্জামান বাদল ছিলেন রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং দায়িত্বশীলতার প্রতীক। তার মৃত্যু শেরপুর-৩ আসনের রাজনৈতিক পরিসরে একটি শূন্যতা তৈরি করেছে। তার অবদান ও নেতৃত্বের স্মৃতি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় স্মরণীয় থাকবে।
Leave a Reply