নিজস্ব প্রতিনিধি,
নেট দুনিয়া ও খবরের শিরোনামে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচিত ছিলেন নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। বিরোধী দলকে কটাক্ষ, ব্যঙ্গ ও হাস্যরসাত্মক মন্তব্যের মাধ্যমে প্রায়ই আলোচনায় থাকতেন তিনি। তবে সময়ের পরিবর্তনে রাজনীতির মঞ্চ থেকে অনেকটাই আড়ালে চলে গেছেন কাদের। জুলাই আন্দোলনের পর শেখ হাসিনার দেশত্যাগের ঘটনার পর তিনি মাত্র একবার ভারতীয় গণমাধ্যমে নিজের করুণ অবস্থার কথা স্বীকার করেছিলেন। এরপর দীর্ঘদিন তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
সবশেষে আবারও আলোচনায় এসেছেন ওবায়দুল কাদের, তবে এবার ভিন্ন কারণে। ৭৬ বছর বয়সী এই রাজনীতিবিদ গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে জানা গেছে। বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। গত ২ জানুয়ারি হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে কলকাতার বাইপাস এলাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছিল। তবে চিকিৎসকদের মতে, তিনি এতটাই দুর্বল যে নতুন কোনো চিকিৎসা গ্রহণের মতো অবস্থায় নেই।
এ অবস্থায় পরিবারের সিদ্ধান্তে তাকে কলকাতার নিউটাউনের একটি বাসায় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেখানে চিকিৎসক ও লাইফ সাপোর্টসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সুবিধা রাখা হবে। যদিও তার সঠিক ঠিকানা নিয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগে ভুগছেন ওবায়দুল কাদের। ২০১৯ সালে হৃদপিণ্ডের রক্তনালীতে ব্লক ধরা পড়ে এবং পরবর্তীতে দেশে ও বিদেশে দীর্ঘ চিকিৎসা নেন। জুলাই আন্দোলনের পর আত্মগোপনে যাওয়ার পর প্রথমবার গত বছরের ২৬ মে তিনি ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে অডিও সাক্ষাৎকার দেন, যেখানে নিজের অবস্থান নিয়ে অনড় থাকার কথা জানান।









Leave a Reply