নিজস্ব প্রতিনিধি,
প্রার্থীরা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তবে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভয় তৈরি হওয়ার কারণে একটি আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিশেষ করে তফসিল ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় ভোটারদের মধ্যে এবং প্রার্থীদের ভিতরে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেও প্রার্থী মনোনয়ন ফরম জমা দিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সংকল্প ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, “চ্যালেঞ্জ বড়, কিন্তু প্রতিদ্বন্দীদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমি বিশ্বাস করি, আমারও সুযোগ আছে। আমরা নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছি।”
প্রার্থী উল্লেখ করেছেন, দেশের মধ্যে ভয়ের রাজত্ব ও ভয়ের রাজনীতি কায়েম হয়েছে। তাই তিনি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সকল ভোটারের নিরাপত্তার গুরুত্বও স্মরণ করিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন ও সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন, তারা যেন সমান আচরণ করে এবং ভোটারদের ভোট দিতে উৎসাহিত করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেয়।
প্রার্থীর প্রধান ইশতেহার হলো রংপুরের বেকারত্ব দূরীকরণ। নির্বাচিত হলে তিনি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, কৃষি ও শিল্পে উন্নয়ন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠা এবং যুবক-যুবতীদের টেকশই কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এছাড়াও প্রবাস যাত্রা সহজ ও সুরক্ষিত করার ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও উল্লেখ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, “আমি শুধু বৃহন্ন নয়, রংপুরের জনগণের জন্য আমার জীবন উৎসর্গ করতে চাই। বাংলাদেশের পিছিয়ে থাকা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে প্রান্তিকতার হাত থেকে মুক্তি দিতে কাজ করব।” নির্বাচনী প্রচারণায় প্রার্থী জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করে ভোটারদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর চেষ্টা করছেন।









Leave a Reply