নিজস্ব প্রতিনিধি,
ত্রয়দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে চলছে জোট ও আসন বণ্টন নিয়ে নানা সমীকরণ। কোন দলের সঙ্গে কার জোট হবে এবং কে কোন আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তা নিয়ে এখন দেশে ব্যাপক আলোচনা চলছে। ২৫ ডিসেম্বর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফেরার পর দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। অন্যদিকে, নতুন নির্বাচনী জোট নিয়ে জামায়াত, এনসিপি ও অন্যান্য ছোট দলগুলো বেকায়দায় পড়েছে।
বিশেষ করে জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির জোট নিয়ে দলীয় নেতাদের মধ্যে বিরোধ দেখা যায়। নাহিদ আক্তারের মতো নেতারা দলের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধে জড়িয়ে পড়েছেন। শীর্ষ পর্যায়ের দুই নেতা, তাসনিম জারা ও তাজনুবা জাবিন, এই বিতর্কের কারণে পদত্যাগ করেছেন। সামাজিক মাধ্যমে দলের অন্যান্য নেতারাও তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তবু শেষ পর্যন্ত সব আলোচনার অবসান ঘটিয়ে এনসিপি আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতের সঙ্গে জোটভুক্ত হয়েছে।
রোববার এনসিপি নেতা অলি আহমদসহ এলডিপি এবং ১০টি দলকে নিয়ে নতুন নির্বাচনী জোটের ঘোষণা দেন জামায়াতের আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান। এর মাধ্যমে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জোটের আত্মপ্রকাশ সংবাদ সম্মেলনে ডাক্তার শফিকুর রহমান বলেন, আসন বণ্টনের সমঝোতা প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং মনোনয়নপত্র দাখিলের পর তা চূড়ান্ত হবে।
নতুন জোট ক্ষমতায় এলে কে প্রধানমন্ত্রী হবেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এনসিপি আগে নাহিদ ইসলামকে প্রধানমন্ত্রীর প্রার্থী হিসেবে প্রস্তাব করেছিল, যা জামায়াত প্রত্যাখ্যান করেছিল। এনসিপি লিয়াজু কমিটির প্রধান আরিফুল ইসলাম আদিব জানান, বর্তমানে নির্বাচনী কৌশলই অগ্রাধিকার পাচ্ছে, এবং প্রধানমন্ত্রী ও জোটের রূপরেখা নিয়ে দ্রুত আলোচনা হবে।
Leave a Reply